দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ‘শিখা ইন’ হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাংবাদিক দেবাশীষ দত্তসহ পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ আজ দেশে ফেরার কথা রয়েছে। ভারতীয় সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়েছে। বাংলাদেশ দূতাবাসের ছাড়পত্র পেলেই মরদেহ নিয়ে দেশে রওনা হবেন স্বজনরা।
ভারতে থাকা দেবাশীষ দত্তের স্বজন ফিরোজ হোসেন জানান, ভারতীয় কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এখন শুধু বাংলাদেশ দূতাবাসের অনুমতির অপেক্ষা। ছাড়পত্র পাওয়া গেলে মরদেহগুলো নিয়ে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করবেন তারা।
এদিকে বেনাপোল ইমিগ্রেশনের সামনে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স ও স্বজনদের গাড়ি অপেক্ষায় রয়েছে। মরদেহগুলো বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর কুষ্টিয়া ও ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবে।
এর আগে শুক্রবার (২১ আগস্ট) মরদেহ দেশে ফেরার কথা থাকলেও প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র ও অনাপত্তিপত্র (এনওসি) সংক্রান্ত জটিলতায় তা সম্ভব হয়নি।
গত ১৯ আগস্ট ভোরে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয়জন নিহত হন। তাদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি নাগরিক।
নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে কুষ্টিয়ার একই পরিবারের চারজন রয়েছেন। তারা হলেন কুষ্টিয়া শহরের আরুয়াপাড়া মোহিনী মিল এলাকার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত (৩৯), তার স্ত্রী আফসানা শারমীন (২৭), তাদের একমাত্র সন্তান স্বর্ণশীষ দত্ত (৩) এবং আফসানার বাবা আকরাম আলী (৬৪)।
নিহত অপর বাংলাদেশি হলেন ঢাকার সাভারের আমিনবাজার এলাকার কসমেটিকস ব্যবসায়ী বাবু আহমেদ (৩৭)। এই পাঁচজনের মরদেহ বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করবে।
এ ছাড়া সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার এস এম আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে দেশে আনার কথা রয়েছে।
অন্যদিকে একই জেলার নিহত রেবতী সরকারের মরদেহ ভারতে সৎকারের বিষয়ে তার পরিবারের পক্ষ থেকে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে।
যে আই